Home / জাতীয় / আসছে কঠোর লকডাউন

আসছে কঠোর লকডাউন

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়ার হার গুরুতর রূপ নেওয়ায় ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন দিচ্ছে সরকার। ওই লকডাউনের আওতামুক্ত থাকবে জরুরি সেবা। বন্ধ থাকবে সরকারি-বেসরকারি সব অফিস। চলবে না কোনো ধরনের যানবাহন। যথারীতি বন্ধ থাকবে নৌপথ ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট। বন্ধ থাকবে গার্মেন্ট, কলকারখানা, শপিং মহল, দোকানপাটসহ সব প্রতিষ্ঠান। সরকারের পক্ষ থেকে সবাইকে এক সপ্তাহ পুরোপুরি ঘরে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ঢাকাঃ আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউন, জরুরি সেবা ছাড়া সবকিছু বন্ধ। ১৪ এপ্রিল থেকে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও গার্মেন্টস-কারখানা বন্ধ থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ১৪ এপ্রিল থেকে সারাদেশে কঠোর লকডাউন শুরু হতে যাচ্ছে। এই লকডাউনে ১৪ এপ্রিল থেকে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও গার্মেন্টস-কারখানা বন্ধ থাকবে। গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। শুক্রবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‌‘১৪ এপ্রিল থেকে দেশে জরুরি সেবা ছাড়া সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ থাকবে। জরুরি সেবা ছাড়া সকল গণপরিবহনও বন্ধ থাকবে।’

করোনার ঊর্ধ্বগতি ঠেকানোর জন্য এর কোনো বিকল্প নেই।’ আগামী রবিবারের মধ্যে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউন, জরুরি সেবা ছাড়া সবকিছু বন্ধ
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন ১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউনের কথা জানান

কঠোর লকডাউনে যা বন্ধ থাকবে

আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে সারাদেশে কঠোর লকডাউন শুরু হবে। প্রথম দফায় এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউনে জরুরি সেবা ছাড়া সরকারি-বেসরকারি অফিস, কলকারখানা ও যানবাহন বন্ধ থাকবে। 

শুক্রবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।   সর্বাত্মক লকডাউন নিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, সর্বাত্মক লকডাউন বলতে যে চিন্তাটি করা হয়েছে সেটা হলো শুধু জরুরি সেবা ছাড়া আর কোনো কিছুই চলবে না। এখন যেমন কিছু কিছু বিষয়ে নমনীয়তা দেখানো হচ্ছে, সেটি হয়তো তখন আর করা হবে না।

বর্তমানে যে লকডাউন চলছে সেখানে সব ধরনের গণপরিবহন চলছে। বাজার, শপিং মল খোলা হয়েছে। অফিস-আদালত, ব্যাংক, বিমা সবকিছুই খোলা। বেসরকারি খাতের সবকিছুই খোলা। খোলা রয়েছে শিল্প-কলকারখানা।

তবে ওষুধের দোকান, নিত্যপণ্যের দোকান জরুরি সেবার মধ্যেই পড়ে। তাই এগুলো সর্বাত্মক লকডাউনেও খোলা রাখা হবে।

তবে নিত্যপণ্যের দোকান খোলা রাখার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হতে পারে। আর সরকারের অন্যান্য জরুরি সেবা হলো বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন, স্বাস্থ্য, ত্রাণ বিতরণ, স্থলবন্দর, ইন্টারনেট, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আনা-নেওয়া ও এর সঙ্গে জড়িত অফিসগুলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*