Home / রাজনীতি / দেশ ‘জনগণ অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায়’

দেশ ‘জনগণ অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায়’

নিউজ ডেস্কঃ ডয়েচ ভেলের টকশোতে এবারের আলোচনার বিষয়: বাইডেনের আগমন ও বাংলাদেশের গণতন্ত্র, সেখানে ‘খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়’ অনুষ্ঠানটিতে অতিথি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে রয়েছেন ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর ড. আলী রীয়াজ এবং ঢাকা থেকে আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ৷

অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে ছিলেন ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর ড. আলী রীয়াজ ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড.  সেলিম মাহমুদ৷

‘‘বাংলাদেশের মানুষ একটি স্বাধীন নির্বাচন দেখতে চায়, যেখানে নাগরিকরা অংশগ্রহন করতে পারবে,’’ এ মন্তব্য করেছেন ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর ড. আলী রীয়াজ৷
ক্ষমতাশালীদের নিয়ন্ত্রণে গণতন্ত্র ও মিডিয়া

নিজের লেখা ‘বাংলাদেশ: আ পলিটিক্যাল হিস্ট্রি সিন্স ইন্ডিপেন্ডেন্স’  বইয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে অধ্যাপক রীয়াজ বলেন, ‘‘মানুষ ইলেকশন চায়,  ফ্রি ইলেকশন চায়, পার্টিসিপেশন চায়, তারা নিজেদের ভয়েসটা দেখতে চায়৷’’

তার মতে, ১৯৯১ পরবর্তী সময়ে গণতান্ত্রিক কাঠামো শক্তিশালী করার জন্য বাংলাদেশের যথেষ্ট সুযোগ থাকলেও তা হয়ে উঠেনি৷ একটি দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য যে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রয়োজন তা গড়ে উঠেনি৷ 

প্রফেসর রিয়াজের এমন দাবির প্রেক্ষিতে ড. সেলিম মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের যতটা উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় বিকশিত হয়েছে৷ দেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিদ্যমান আছে দাবি করে ড, মাহমুদ বলেন, এ দেশে সামরিক বাহিনীর পোশাক পরিহিত অবস্থায়ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ঘটনা ঘটেছে৷

দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিদ্যমান আছে দাবি করে ড.  সেলিম আরো বলেন, ১৯৭৫ সালের আগে প্রবর্তিত একদলীয় শাসনব্যবস্থাও ছিল সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক৷

অনুষ্ঠানে দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আলী রীয়াজ বলেন, কিশোর কার্টুনিস্ট ও সাংবাদিক কাজলকে আটকের ঘটনাতেই বুঝা যায় গণমাধ্যম কতটা স্বাধীনতা ভোগ করছে৷

আরআর/এসিবি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*